Deprecated: __autoload() is deprecated, use spl_autoload_register() instead in /customers/8/3/c/europerkatha.com/httpd.www/wp-includes/compat.php on line 502 পর্তুগাল সেন্ট্রাল মসজিদের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত  – Europerkatha.com

পর্তুগাল সেন্ট্রাল মসজিদের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত 

Posted on by

মোঃ রাসেল আহম্মেদ, লিসবন পর্তুগাল: পর্তুগালের সেন্ট্রাল মসজিদ বা লিসবন ইসলামিক কমিউনিটি – সিল, অথবা পর্তুগিজে “কমুনিদাদ ইস্লামিকা দি লিসবয়া” এর ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে ৬ মাস ব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচীর পরিসমাপ্তি হয়েছে গত শুক্রবার।

২৬ অক্টোবর ২০১৮ ছিল এই উৎসবের শেষ দিন। এইদিন উপস্থিত ছিলেন, কাবা শরিফের ইমাম ও সৌদি রাজ প্রসাদের উপদেষ্টা শাইখ সালে বিন আব্দুল্লাহ হামিদ, পর্তুগালের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব অ্যান্থনিয় কোস্টা, লিসবন মিউনিসিপালের মেয়র জনাব ফারনান্দ মেদিনা, লিসবন সিটি কাউন্সিলর জনাব রানা তসলিম উদ্দিন সহ পর্তুগালের বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সরকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগন ও সমাজের নেতৃত্বস্থানীয় মানুষ জন।

এবছর মার্চ মাসে “সিল” এর ৫০ বছর পূর্তি উৎসব পালনের কর্মসূচী শুরু হয়। তখন পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট, প্রাইম মিনিস্টার, স্পীকার, পূর্বের প্রাইম মিনিস্টার ও প্রেসিডেন্টগণ, জাতিসঙ্গের সেক্রেটারি জেনারেল, বিভিন্ন ধর্মের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ ও পর্তুগালের অন্যান্য সরকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

১৯৮৪ সালে বর্তমান মসজিদের উদ্ভোদন হওয়ার পর থেকে পর্তুগালের সব দলের প্রধান মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টগণ এই মসজিদ পরিদর্শন করেন। এছাড়াও সৌদি প্রিন্স সহ আন্তর্জাতিক মুসলিম নেতৃবৃন্দও এই মসজিদে আসেন। বিশ্বের প্রায় সকল দেশের দূতাবাসও এই মসজিদের উন্নয়নের জন্য অকাতরে দান করেন। মসজিদের পার্শ্ববর্তী রাস্তার নাম বদলিয়ে “মসজিদ রোড” নামকরনের উদ্ভোদন করেন সৌদি প্রিন্স।

উল্লেখ্য ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে প্রথম গুটি কয়েক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মোজাম্বিকান পর্তুগালে পড়াশোনা করতে এসে প্রথম একটি মসজিদ নির্মাণের স্বপ্ন দেখেন। তাঁদের মধ্যে ডঃ সুলেমান ভালী মাহমেদ ছিলেন অন্যতম। তারা প্রথমে লিসবনের প্রিন্সিপ রিয়েলে কাঠের তৈরি একটি জামাত খানা তৈরি করেন। তারপর ১৯৭৯ সালে ডঃ সুলেমান ভালী মাহমেদ তৎকালীন পর্তুগালের গনতন্ত্রের মানসপুত্র, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রশঠা ও পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট ডঃ মারিও সোয়ারেস এর কাছে মসজিদের জন্য জায়গা চাইলে প্রেসিডেন্ট বর্তমান সেন্ট্রাল মসজিদের জায়গাটি দান করেন।

নানা রকম চড়াই উৎরাই পেরিয়ে “সিল” এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডঃ আব্দুল মাজিদ ভাকিল, তার ভাই ডাঃ ইদ্রিস ভাকিল সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠা সদস্যরা মিলে আজকের এই বিশাল পর্তুগাল সেন্ট্রাল মসজিদ তথা লিসবন ইসলামিক কমিউনিটির রুপ দান করেন।

একটি প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বিগত ৫০ বছরের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো উপস্থাপন করা হয়।
পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী জনাব অ্যান্থনিয় কোস্টা তার বক্তব্যে এই মুসলিম কমিউনিটির ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশিদেরও নাম উল্লেখ করেন। মুসলিম কমিউনিটির সব কাজ গুলো যাতে করে পর্তুগাল ও পর্তুগালের মানুষের জন্য হয়, তিনি এই কামনা করে ৫০ বছর পূর্তি উৎসবের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x